আগামী ছবি তৈরীর পরিকল্পনায় বনশালী
সাবরিয়ার ছবিটির কথা হয়ত সঞ্জয় লীলা বনশালী আজীবন ভুলতে পারবেন না৷ যদিও তিনি ব্যক্তিগত ভাবে এই ছবিটিকে অসফল বলে মনে করেন না৷ মিডিয়া যখন সাবরিয়ার ছবিটির খামতি গুলো নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল বনশালী তখন বলেছিলেন মিডিয়া সাবরিয়া সম্বন্ধে ভুল রিপোর্ট প্রকাশ করেছে৷ আর এতে নির্দেশক বনশালীর ইমেজেও প্রভাব পড়েছে৷ মিডিয়া সব সময়ই বনশালীর প্রশংসাই করেছে৷ কিন্তু সাবরিয়ার বিরুদ্ধে যখন মিডিয়া মুখ খুলেছিল তখন বনশালী মিডিয়ার এই বিরুদ্ধাচারনকে সহ্য করতে পারেন নি৷ বনশালী একজন দক্ষ নির্দেশক৷ আর বলিউডের সব নির্মাতারাই বনশালীর উপর ভরসা রাখেন৷ তবে এই বিষয়ে এই উক্তি করাটা অতিরিক্ত হবে না যে বনশালী তাঁর আগামী ছবিটিকে সফল করতে কোন প্রয়াসই বাকি রাখবেন না৷ বলিউডে এই রকম উদাহরন অনেকই পাওয়া যায়৷ অতীতেও রাজ কাপুর আর গুরু দত্তের কেরিয়ারেও বনশালীর মত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল৷ তাদের এরকম অনেক ছবিই ছিল যা বক্স অফিসে সফল হয় নি৷ পরবর্তীতে তারা আবার সফলতার মুখ দেখেছিলেন৷ বনশালী যদি তাঁর এই অসফলতাকে চ্যালেঞ্জ হিসাবে নেন তাহলে তাঁর আগামী ছবিটি শ্রেষ্ঠ ছবির খেতাব অর্জন করবে৷ বর্তমানে বনশালী বিভিন্ন স্ক্রিপ্ট পড়ছেন৷ এই সময় বনশালীর হাতে পাঁচটা স্ক্রিপ্ট আছে৷ এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বেকরার, বাজীরাও মস্তান, হমারী জান মে তুম, গুজারিশ আর হামেশা তুমকো চাহা৷ এই পাঁচটা স্ক্রিপ্টের মধ্যে কোন একটা নিয়ে বনশালী হয়ত আগামীতে ছবি তৈরী করার পরিকল্পনা করছেন৷ তবে এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে বাজীরাও মস্তান এই ছবিটা তৈরীর বিষয়ে বনশালী এক বছর আগে পরিকল্পনা করেছিলেন৷ কিন্তু কোন কারনে তাঁর এই প্রোজেক্টটির কাজ থেমে যায়৷ তবে বর্তমানে কাহিনী এবং স্ক্রিপ্ট বেছে নিয়েই তিনি ছবি তৈরী করবেন৷ বনশালী তাঁর আগামী ছবিতে নতুন মুখদের সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবছেন৷ এর থেকে এটাই প্রমানিত হয় তিনি এখনও আত্মবিশ্বাস হারান নি৷ প্রতিষ্ঠিত তারকাদের ছাড়াই ছবি তৈরী করার সাহস তাঁর মধ্যে আছে৷ বনশালী কবে তাঁর নতুন ছবির কথা ঘোষণা করেন এখন সেটাই দেখার৷
লোড হচ্ছে...